করোনাকাল ও আমাদের আত্মোপলব্ধির দারিদ্র্য – ২

মো. শহিদুল ইসলাম

শনিবার, জুন ২৭, ২০২০ ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব পরবর্তী সোভিয়েত ইউনিয়নে একজন ঝাড়ুদারকে নিয়ে একটি গল্প প্রচলিত আছে। গল্পটির সংক্ষেপিত রুপ এরকম, একজন ঝাড়ুদার রুশ বিপ্লবের প্রাণপুরুষ লেনিনের একনিষ্ঠ সমর্থক। বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার আগে থেকেই সে বিভিন্ন জনের কাছে বিপ্লবের পক্ষে কথা বলে, স্লোগান দেয়, বিপ্লব হলে নিজেদের ভাগ্যের কিভাবে পরিবর্তন হবে এ সম্পর্কে সবাইকে বলার চেষ্টা করে। তো একসময় বিপ্লব হল ও তার নেতা লেনিন ক্ষমতায় বসল। এরপর একদিন ভোরে সে রাস্তা ঝাড়ু দিচ্ছে তখনএকজন লোক পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে বলছে,  কি মিয়া খুবতো বিপ্লব নিয়া লাফালাফি করছিলা, বিপ্লবতো হল আর তোমার নেতা লেনিনও এখন ক্ষমতায়, তা কই তোমার অবস্থার তো কোন পরিবর্তন দেখছি না। তুমি আগেও রাস্তায় ঝাড়ু দিতে এখনো ঝাড়ুই দিচ্ছ। তো বিপ্লব করে তোমার লাভটা কি হল? তখন ঝাড়ুদার সহাস্যে উত্তর দিচ্ছে, বিপ্লবের আগে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা আমার মত ঝাড়ুদারকে রাষ্ট্রের অংশই মনে করত না। এমনকি আমার যে অস্তিত্ব আছে এটাও তারা বিবেচনায় নিত না। কিন্তু এখন আমি নিশ্চিত বলতে পারি, আমার নেতা লেনিনের মাথায় আছে যে আমি রাস্তায় ঝাড়ু দিচ্ছি।
এই ঘটনাটির উল্লেখ করলাম সরকার ও সাধারণ জনগনের পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের ব্যাপারটি বোঝানোর জন্য। আসলে বিষয়টি এরকম নয় যে, সরকার চোখের পলকে আমার ভাগ্য পরিবর্তন করে দিলেই তার প্রতি আমার আস্থা-বিশ্বাস তৈরি হবে। বরং সরকারের নীতি, আদর্শ, কর্মকাণ্ড ও সমাজে তার প্রতিফলন দেখে ধীরে ধীরে এই আস্থা-বিশ্বাসের জায়গাটি তৈরি হয়।
বাংলাদেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতি বর্ণনায় কোন ভূমিকা করার দরকার নেই কারণ ফেসবুক, সংবাদ মাধ্যমের কল্যানে সবাই সম্যকভাবে অবগত। কভিড ১৯ ভাইরাসটির  চরিত্র ও মানবদেহে সংক্রমণের ধরণ বিবেচনায় এ ভাইরাস প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল সরকার ও জনগনের সমন্বিত প্রচেষ্টা, সম্পৃক্ততা ও পারস্পরিক দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন। এককথায় সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তে দেশের মানুষের আস্থা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ।
এক্ষেত্রে এটা দাবী করা ভুল হবে  না যে যেখানে বিশ্বের অধিকাংশ দেশের সরকার ও জনগণ একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে সমন্বিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করছে, সেখানে বাংলাদেশে এই সমন্বয়ের যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। মনে হচ্ছে সরকার ও জনগণ পরস্পর পরস্পরকে সহযোগী ভাবতে পারছে না। সরকার তার অবস্থান থেকে চেষ্টা করছে এবং  সাধারণ মানুষও আতঙ্কিত হয়ে প্রতিটিদিন নিজেকে ও পরিবারকে বাচিঁয়ে চলেছে। সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা এরকম যে, যে কোন পরিস্থিতিতে লড়াই করে বেচে থাকার দায়িত্বটা নিজের কেননা আক্রান্ত হলে সে কাউকে পাশে পাবে না। তাই আক্রান্ত না হয়ে প্রতিটি দিনের শেষে রাতে ঘুমাতে যেতে পারাটা যেন চরম সৌভাগ্যের ব্যাপার।
এরই মধ্যে আমরা সরকারি কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন সংস্থার দূর্নীতি, অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত, সমন্বয়হীনতা ও সীমাহীন ব্যর্থতার কথা সংবাদ মাধ্যমের কল্যাণে জেনেছি। এটাও লক্ষ্যনীয় যে করোনা মোকাবেলায়  সরকারের গৃহীত পদক্ষেপে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিভিন্ন সময়ে সরকারের গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত জনগণকে আশ্বস্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল করোনা প্রসঙ্গে সরকারের প্রতি এই অবিশ্বাস ও আস্থাহীনতার শিকড় কোথায়। অনেকেই বলে থাকেন চীনে প্রথম ভাইরাস সনাক্ত হওয়ার পর সরকার সর্তক হয়নি, এমনকি বাংলাদেশ প্রথম করোনা রোগী সনাক্তের পরও সরকার নির্লিপ্ত থেকেছে। এগুলোই সরকারের প্রতি মানুষের আস্থাহীনতার কারণ। অর্থাৎ এই আস্থাহীনতার কারণ ব্যাখ্যায় আমরা তিনমাস কিংবা সর্বোচ্চ ছয়মাস আগের ঘটনা বা গৃহীত সিদ্ধান্ত বিবেচনায় নেই।
এখানেই আমাদের বোঝাবুঝির সীমাবদ্ধতা যা ব্যাখ্যা করতেই আজকের লেখার অবতারণা। আমি যা বলতে চাই তা হল, সরকার ও জনগনের মধ্যে এই যে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও আস্থাহীনতার সম্পর্ক এর শিকড় আরো গভীরে, যা একান্তই ঐতিহাসিক। এটা বলা অত্যুক্তি হবে না যে  করোনা মহামারী ও পরস্পর আস্থাহীন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সেই ঐতিহাসিক কারণের একটি উপসর্গ বা লক্ষণ মাত্র।
প্রসঙ্গত সরকার ও জনগনের সম্পর্ক বুঝতে এখানে রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যাবস্থার ধরণ বুঝতে পারা একান্ত জরুরী। রাষ্ট্র পরিচালনায় যে গণতন্ত্র আমরা চর্চা করে চলেছি তার সাথে ঐতিহাসিকভাবে আমার দেশের মাটি ও মানুষের কোন সম্পর্ক নেই। অর্থা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবেই পশ্চিমাদের চাপিয়ে দেয়া কিংবা ধার করা গণতন্ত্র নিয়ে চলছে যা আমাদের সমাজ বাস্তবতার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। একটু ব্যাখ্যায় বিষয়টি পরিস্কার হয়। পশ্চিমে যে গণতন্ত্র বিকশিত হয়েছে তার ৭০০-৮০০ বছরের কিংবা তারও বেশি সময়ের সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। শিল্প ও বাণিজ্য নির্ভর ইউরোপ তিলতিল করে দিনের পর দিন ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের  সমাজ বাস্তবতার আলোকে গণতন্ত্রকে উপযোগী ও সুসংহত করেছে। উপনিবেশিক শক্তি সেই গণতন্ত্রকেই সম্পূর্ণ ভিন্ন সমাজ- বাস্তবতা সত্ত্বেও চাপিয়ে দিয়েছে তার উপনিবেশগুলোতে। কারণ ইউরোপ যেখানে শিল্প ও বানিজ্য নির্ভর ভারতীয় উপমহাদেশ সেখানে কৃষি ও ভূমি নির্ভর। বাণিজ্যের প্র‍য়োজনে ইউরোপের  একশ্রেণির মানুষজন যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিচরণ করেছেন ও নিজেদের জানাশোনাকে সমৃদ্ধ করেছেন সেখানে ভুমি ও কৃষি নির্ভর উপমহাদেশবাসী পৈতৃক বসতভিটা ও সীমিত গণ্ডিতে নিজেদের আবদ্ধ রেখেছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হল রাষ্ট্রের যে কোন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড ইউরোপের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। দৈনন্দিন জীবনের আয় উন্নতি রাষ্ট্রযন্ত্রের যেকোন সিদ্ধান্তের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকায় মানুষ এ সম্পর্কে সচেতন ও সক্রিয় থেকেছে। অর্থাৎ রাষ্ট্রে তাদের অংশীদারিত্ব ছিল।
এই একই প্রশ্নে আমাদের বাঙালি সমাজ বিশ্লেষণ করলে দেখবো যে আমাদের অবস্থান ছিল একেবারে বিপরীত মেরুতে। তাই গণতন্ত্র আমাদের বাস্তবতায় অন্ধের হাতি দর্শনের ন্যায়। এক্ষেত্রে দুটি বিষয় মাথায় নিয়ে এ আলোচনায় অগ্রসর হওয়া যেতে পারে।
প্রথমত, রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ ও অংশীদারিত্বের প্রশ্নে বাঙালির অবস্থান। দ্বিতীয়ত, বাঙালির মন মেজাজে দীর্ঘকাল বিদেশী শাসন-শোষনের প্রভাব।
প্রথমটির আলোচনায় বলা যেতে পারে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের প্রশ্নে বাঙালি দীর্ঘকাল পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। ভূমিকা ছিল অনেকটা প্রজাস্বরুপ ও নিষ্ক্রিয় যারা শুধু ট্যাক্স প্রদান করে, সক্রিয় ভূমিকা পালনের কোন সুযোগই তাদের হয়নি। ফলে “রাষ্ট্র তথা সরকার সম্পর্কে একধরনের নির্লিপ্ত ভীতিজনক ভিনদেশি অপরিচিত বস্তুরূপে বিবেচনা করার মানসিকতা বা মননের মতো নেতিবাচক প্রবনতা বাঙালি সমাজে গড়ে উঠে। যা আমাদের অস্থিমজ্জায় আজও মিশে আছে। ফলশ্রুতিতে আমরা বসতভিটা ও পরিবার পরিজন ব্যতিরেকে অন্য কোনকিছুকেই একান্ত নিজস্ব ও আপনজন হিসেবে ভাবতে বা গ্রহণ করতে অভ্যস্ত নই।” এভাবে রাষ্ট্রের সাথে মানুষের সম্পর্কের ধরণটি হল চূড়ান্ত সংযোগহীনতার, যা একান্তই ঐতিহাসিক। তাই রাষ্ট্রের যে কোন নীতি ও সিদ্ধান্ত যে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে প্রত্যক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে আমাদের এ বোধের বিকাশ হয়েছে খুবই কম। তাছাড়া রাষ্ট্রের নীতি সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষও তাদের অবস্থান ও গুরুত্ব খুব একটা খুঁজে পায়নি তাই সর্বদাই  থেকেছে নির্লিপ্ত। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে  অংশগ্রহণের প্রশ্নে সাধারণ মানুষের নির্লিপ্ততার ও সুযোগের স্বল্পতারএই ঐতিহাসিক কারণটি বিবেচনায় না নিয়ে আমরা যদি প্রত্যাশা করি যে, করোনা মহামারীর এই জাতীয়/আন্তর্জাতিক দুর্যোগে মানুষ সরকারি সিদ্ধান্তে একেবারে যথার্থ সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে জাতীয় দায়িত্ব/ বিশ্ব নাগরিকের ভূমিকা পালন করবে তাহলে তা হবে অবাস্তব ও স্ববিরোধী কল্পনা।
দ্বিতীয় প্রসঙ্গটির ব্যাখ্যায় বলা যায় যে দীর্ঘকাল বিদেশী শাসন-শোষণের অধীনে থাকায় বাঙালি সমাজের ভিত্তিমূলটি দূর্বল হয়ে পরে এবং তার স্থলে ভীনদেশী আদর্শ, ধর্মীয় বিভাজনকে কেন্দ্র করে হিংসা – বিদ্বেষ, পরচর্চা ও অনুকরণ ভিত্তিক একটা সমাজব্যাবস্থা গড়ে উঠে। যার নিজস্বতা ও স্বকীয়তার ভিত্তি একেবারে দুর্বল। হ্যা এটা ঠিক যে বাঙালি অধিকারের প্রশ্নে বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছে। কিন্তু একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করলেই দেখব যে অধিকারের প্রশ্নে আমাদেরকে সবসময় প্রতিষ্ঠিত শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হয়েছে। মুঘল শাসন, ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মধ্যদিয়েই আমাদের রাজনৈতিক সচেতনতার সৃষ্টি ও বিকাশ ঘটেছে। লক্ষ্য করার বিষয় যে যুগযুগ ধরে প্রতিষ্ঠিত সরকার, আমলা-কেরানীই ছিল বাঙালির প্রতিপক্ষ। তাই সরকার, আমলা- কেরানীদের শত্রুজ্ঞান করার একটি চেতনাই আমাদের বিকশিত হয়েছে। কিংবা নিদেনপক্ষে সরকারের নীতি সিদ্ধান্তের সাথে সাধারণ মানুষের একাত্মতা অনুভব করার কিংবা সংশ্লিষ্ট থাকার কোন কারণ বা সুযোগ কোনটাই ঘটেনি। আমরা বর্তমান বাংলাদেশেও এই মানসিকতা ধারণ করে চলেছি। সজ্ঞানে-অজ্ঞানে, কিংবা পদ্ধতিগত কারণে এখনো সরকার, আমলা-কেরানী এবং সাধারণ মানুষের মনমেজাজে উপনিবেশিক পরাধীনতার ছাপ স্পষ্ট। যেখানে সরকারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ নিজেও নিজেদেরকে প্রজাস্বরূপ বিবেচনা করে। এভাবেই সরকারি সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডের প্রশ্নে জনগণের অংশীদারিত্বের জায়গাটা শূন্য। সরকারের সিদ্ধান্তের প্রশ্নে অংশীদারিত্ব না থাকায় সাধারণ মানুষ কোন দায় নিতেও প্রস্তুত নয়। বরং সুযোগ পেলেই বিভিন্ন সরকারি সিদ্ধান্তকে বিদ্রুপ ও সমালোচনা করে। এই অংশীদারিত্বের শূন্যতাই সাধারণ মানুষের মনে আস্থাহীনতা তৈরি করে এবং মানুষ বেশি বেশি স্বীয় জীবন ও পরিবার পরিজনের দিকে ঝুকে পরে যেখানে সে নিজের গুরুত্ব ও সংশ্লিষ্টতা খুজে পায়।
পরিশেষে বলতে চাই, করোনা মহামারী মোকাবেলার প্রশ্নে সরকারের অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত ও কাঠামোগত ব্যর্থতা ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান। কিন্তু আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময়ে সাধারণ মানুষের অসচেতন কর্মকাণ্ডও করোনা ভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণকে ত্বরান্বিত করেছে। সাধারণ মানুষের এই নির্লিপ্ততা ও অসচেতনতার কারণ এবং জনগণ কেন সরকারে আস্থা রেখে সহযোগী হতে পারছে না তার কারণ ব্যাখ্যায় তাদের অর্থনৈতিক অসঙ্গতি যেমন বিবেচ্য, তেমনি এই ঐতিহাসিক কারণটিও সমভাবে বিবেচনার দাবী রাখে। তবেই আমরা এই করনাকালে সর্বত্র বিরাজমান বিশৃঙ্খলা ও ব্যর্থতার কারণ উপলব্ধি করতে সক্ষম হব। অন্যথায় আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হবে একপাক্ষিক যা এই দুর্যোগ মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হতে বাধ্য।
লেখকঃ সহকারী অধ্যাপক
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি),ঢাকা, বাংলাদেশ।
image_printPrint

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুজিব বর্ষ

মুজিববর্ষ

সংবাদ আর্কাইভ

নামাজের সময় সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:১১
  • ১২:০৮
  • ৪:৪১
  • ৬:৪২
  • ৮:০২
  • ৫:২৯

ক্যালেন্ডার

August 2020
M T W T F S S
« Jul    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31