উপলব্ধি

তানজিয়া আহমেদ সাকি 

মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২০ ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
আজকাল হঠাৎ করে আতিকের মন খুব খারাপ লাগতে শুরু করেছে।ব্যাপারটা এমন না যে খুব বেশি খারাপ,আবার কম ও নয়।আতিক বারান্দায় দাঁড়িয়ে নিচের মানুষগুলোর কর্মব্যস্ততার চিত্র দেখছে।মুরগীওয়ালা মুরগি নিয়ে হাক দিচ্ছে।ঝাড়ুওয়ালা ঝাড়ু নিবেন ঝাড়ু বলে হাক দিচ্ছে।ঝাড়ুওয়ালার ডাকটা ইন্টারেস্টিং।ঝাড়ু বলে অদ্ভুতভাবে একটা টান দিচ্ছে।রাস্তার কতগুলো ছোট্ট ছোট্ট ছেলেমেয়ে ঝাড়ুওয়ালার পেছন পেছন হেঁকে চলেছে ঝাড়ু…উ…উ!ঝাড়ুওয়ালা পেছন ফিরে লাগালো এক দৌঁড় আর ওমনি সব ইচ্চিপিচ্চিগুলো পগারপার!!আতিকের খুব হাসি পেলো।
বারান্দা থেকে ঘরে এসে বসলো আতিক।ফ্যানটার স্পিড বাড়িয়ে বসে পড়লো মেঝেতে পেতে রাখা লাল শতরঞ্জিটার উপর।রিতু শখ করে কিনেছিলো সিটি কলেজের পাশে শতরঞ্জির শোরুম টা থেকে।রিতুর সাথে বিয়ে হয়েছে মাত্র দেড় বছরেরএকটু বেশি।অথচ এরই মধ্যে ঝামেলা শুরু!খাটের পাশের বেড সাইড টেবিলের উপর রিতু আর আতিকের বিয়ের ছবি ফ্রেম করে রাখা।কী হাস্যোজ্জ্বল মায়াবী মুখ মেয়েটার!কিন্তুু কী তার রাগ!আতিক শুধু একবার বলেছে ডির্ভোস দিয়ে দিবে আর ওমনি সে ব্যাগ গুছিয়ে বাপের বাড়ি চলে গেলো!আর এই ১৫দিনে একটা কল,মেসেজ কিছুই সে দিলো না।অবশ্য আতিক ও দেয় নি।কিন্তুু তাই বলে ও দিবে না!!মেয়েদের এতো রাগ থাকা ভালো নাকি!!
মায়ের সাথে ও তো কথা হয়না প্রায় সাতদিন।আশ্চর্য! এই সাতদিনে মা নামক মানুষটা একবারও মনে করলো না আমাকে!!আর মাকে ফোন দিয়েই বা হবে টা কী!মার তো সব একই কথা!গরু কয় লিটার দুধ দিলো,পশ্চিমের জমিটা কার কাছে বর্গা দিলো,বাবার শরীরটা ভালো না,নামাজ পড়ার তাগিদ, রাত না জাগার জন্য আদেশ!!রোজ একই কথা ভালো লাগে না।কিন্তুু তবু ও তো ঠাকুরমশাই এর কথাই সত্যি,”মা বলিতে প্রান করে আনচান চোখে আসে জল ভরে”।
আতিক প্রাইভেট ব্যাংকে চাকুরী করে।ওয়ান ব্যাংক।আতিকের ভীষণ পরিপাটি  অফিসটাকে ওর নিজের কাছে কারাগার মনে হয়।সকাল ১০টা রাত ৮/৯ পর্যন্ত শুধু টার্গেট ফুলফিল করা!আচ্ছা আমাদের জীবনের টার্গেট কী!!আতিক অফিসে গিয়ে হাসিমুখে সব কাজ করে ঠিকই কিন্তুু ভেতরে ভেতরে ওর খুব কষ্ট হয়।ভালো লাগে না এই চাকুরী তার!কিন্তুু কিছু তো করার ও নেই।মাস গেলেই ১৮০০০ টাকা বাড়ি ভাড়া।মা বাবাকে হাত খরচ পাঠানো লাগে।ছোট ভাই বোন ২জনই ভার্সিটি পড়ুয়া।ওদের দেখতে হয়।মাঝে মাঝে আতিকের নিজেকে একটা ভারবাহী পশু ব্যতীত আর কিছুই মনে হয় না।
দুইমাস পর
আতিকের ইদানিং নিজেকে নিজের অসহ্য লাগে।কোনো কিছুতেই আনন্দ খুঁজে পায় না।অসহায় মনে হয় নিজেকে।ইতিমধ্যে বন্ধুমহলের অনেকেই রিতুর সাথে তার ঝামেলা চলছে বিষয়ে অবগত।কেউ কেউ নানাভাবে তাকে টিপ্পনী কাটে।আতিক বেশ বুঝতে পারে।স্কুলের বন্ধু সুজন সেদিন ফোন করে তাকে বলেই ফেলে এই সেই মেয়ে না যার জন্য তুই ভার্সিটি ক্লাস সব ফেলে রাজশাহী দৌড় দিতি!!দেখলি তো দোস্ত!বেশি করছিস তাই এই অবস্থা। দেখ আবার অন্য কাহিনী আনছে নাকি তোর বউয়ের!!আতিক অবাক হয়!সুজন ও সবার মতো।না দেখেই রিতু সম্পর্কে এতগুলো কথা বলে ফেললো।আতিকের তো এই সময় একটু সাপোর্ট প্রয়োজন ছিলো।মন খুলে কার ও সাথে একটু কথা বলার দরকার ছিলো!কোথায় পাবে সে সাপোর্ট! !
আজকাল প্রায়ই অফিস যেতে দেরি হচ্ছে আতিকের।ভাবছে চাকুরিটা ছেড়েই দিবে।রিতু যেহেতু আর ফিরবে না সুতরাং এত বড় বাসা ভাড়া নিয়ে সে করবে কী!রিতুর সাথে ফোনে যে কয়বার কথা হয়েছে শুধু চিৎকার -চেঁচামেচি! কেউ কার ও কোনো কথা শুনছে না।রিতুর বাবা আতিকে ডেকে পাঠিয়েছেন। ডিভোর্সটা এবার আর আটকানো যাবে না!!মায়ের সাথে ও সেদিন অযথাই রাগ দেখিয়ে কথা বলেছে আতিক।ও কী পাগল হয়ে যাচ্ছে।নেট ঘাটাঘাটি করে জেনেছে এটা ডিসপ্রেশন।কী করবে এখন সে?কার কাছে শেয়ার করবে?সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলতে ও তো ইচ্ছে করছে না।কত প্রশ্ন করবে…এত প্রশ্নের জবাব ও তো দিতে ইচ্ছে করে না আতিকের!
অনেকগুলো স্লিপিং পিল কিনে নিজের কাছে রেখেছে আতিক।এক ফার্মেসি থেকে না।অনেকগুলি ফার্মেসি থেকে কিনেছে যেনো কেউ সন্দেহ করতে না পারে!!এভাবে বাঁচার চেয়ে মরে যাওয়াই ভালো।কেনো বাঁচবে সে!কার জন্য বাঁচবে!সবাই শুধু প্রয়োজনের জন্যই তার কাছে আসে।রাত প্রায় ১২টা।ড্রয়িং রুমের সোফায় গা এলিয়ে বসে আছে সে।পাশেই এক্যুরিয়াম টা রাখা।কী যত্নে গোছানো সবকিছু। সব রিতুর পছন্দে কেনা।চারমাস আগেও সবকিছু স্বাভাবিক ছিলো।অথচ আজ সব কেমন এলোমেলো! !এক্যুরিয়ামের দিকে চোখ জ্বেলে তাকিয়ে থাকে আতিক।আজ কী মাছগুলোকে খাবার দিয়েছিলো সে?না তো!ইস!এতক্ষণ মাছগুলো না খেয়ে আছে?আতিক দৌঁড়ে গিয়ে কয়েক দানা খাবার এক্যুরিয়েমে ছিটিয়ে দেয়।মুহূর্তেই মাছগুলো উপরে এসে গোগ্রাসে গিলতে থাকে দানাগুলো।শুধু একটা মাছ সবার শেষে ধীরে ধীরে উপরে এসে খাবারের কনাগুলো গিলতে থাকলো।আতিক বেশ খানিকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে দেখলো মাছটার একটা চোখ নাই।এক চোখে সে দেখে।এই জিনিস সে আজ দেখলো!!প্রায় ১ বছর হতে চললো এই এক্যুরিয়ামটা তাদের বাসায়।যদিও রিতুই কিনেছিলো কাঁটাবন থেকে।মোট আটটা মাছ ভেতরে।দুইটা গোল্ডফিশ। এরমধ্যে ছোটটার একটা চোখ নেই যা আতিক আজই প্রথম লক্ষ্য করলো।এভাবে দুইদিন পর্যবেক্ষণ করার পর আতিক বুঝলো মাছটা সবার চেয়ে দুর্বল ঠিকই কিন্তুু এই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে মাছটা অন্য মাছগুলোর সাথে দিব্যি মানিয়ে ভালো আছে।সবগুলো মাছ কাড়াকাড়ি করে খাবার পর কানা মাছটা সবার শেষে গিয়ে খাবার খুঁজে খায়।আতিকের হঠাৎ মনে হলো আচ্ছা রিতু কী জানে এই মাছটার কথা?রিতুকে একটা টেক্সট পাঠালে কেমন হয়?কাঁপা কাঁপা হাতে ফোনটা নিয়ে সে টেক্সট লিখলো..
আমাদের এক্যুরিয়ামের একটা গোল্ড ফিশ কী কানা?
রিতু তৎক্ষণাৎ লিখে পাঠালো…কানা কেমন কথা?অন্ধ মাছটা।আমি জেনে বুঝেই কিনেছিলাম।
অন্ধ মাছ কিনতে গেলে কেনো?
কারণ আমার মাছটার প্রতি মায়া জন্মে গিয়েছিলো!দেখতে চেয়েছিলাম বাঁচে কিনা!
দিব্যি বেঁচে আছে কিন্তুু।দেখতে ইচ্ছে করে না তোমার মাছগুলোকে?
রিতু আর কোনো মেসেজ দিলো না।
পরেরদিন সকালে পেপার বিলের জন্য তিনবার বেল বাজালো হকার।আতিক যেহেতু ইদানিং বেশ রাত করে ঘুমায় তাই ঘুম ভাঙে দেরিতে।সে ধড়মড় করে উঠে বারান্দা দিয়ে ছেলেটাকে দেখে।ছেলেটাকে সে অনেকদিন পর দেখলো।আসলে অফিসের জন্য উঠে প্রতিদিন তাকে দৌঁড়াতে হতো।এই পেপার আনার কাজ বাড়ির দাড়োয়ান হাবিব মিয়া নয়তো রিতু করতো।কিন্তুু ছেলেটার একটা হাত কোথায়?একহাতে সে পেপারের বিশাল বোঝাটা ধরে আছে।এই কী সেই আগের ছেলেটাই?না কি নতুন একজন!আতিক দৌঁড়ে নিচে নামলো।
স্যার এই মাসের পেপার বিলটা?
আচ্ছা।তুমি কী পলাশ না?তোমার সাথে আগে আমার পরিচয় হয়েছিলো তো?
ছেলেটা এবার মুচকি হাসলো।
জ্বী স্যার।আমি পলাশ।
পলাশের বাম হাতের শার্টটা বাহু পর্যন্ত গুটিয়ে রাখা।আতিক প্রশ্ন করতে গিয়ে ও থেমে যায়।
কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছিলো পলাশ?
জ্বী স্যার।সাইকেল সহ বাসের চাকার নিচে পড়েগেছিলাম।মনে করছি মইরাই যামু।পড়ে পঙ্গু হাসপাতালে দুইমাস ভর্তি আসছিলাম।দুইডা সার্জারি লাগছে।কিন্তুু হাতটা কাইট্যা ফেলতে হইছে।বাবা তো নাই আমার।তাই মা আর ভাই বোনগুলোর জন্য হলে ও কাজটা করতে হইবো।
হঠাৎ এতদিন পর  ছেলেটার জীবনের দুঃখজনক ঘটনা শুনে আতিকের কান্না পেয়ে গেলো।পলাশ তো ওরই প্রতিচ্ছবি! কত কষ্ট করছে ছেলেটা টিকে থাকার জন্য।কত ই বা বয়স ওর!১৭/১৮ বছর।কত বড় দায়িত্বের বোঝা তার কাঁধে।অথচ বেচারার একটা অঙ্গ নেই!এই শহরে খুঁজলে এমন হাজারো পলাশ হয়তো পাওয়া যাবে কে তাদের খোঁজ রাখে।আতিক পেপার বিলটা হাতে দিয়ে বললো কাল একবার পলাশ যেনো ওর সাথে দেখা করে।
বাসায় এসে আতিকের মনে হলো এই ছেলেটার জীবন তো ওরচেয়ে ও দুর্বিষহ। ওদের তো নুন আনতে পান্তা ফুরায়।আতিকের জীবনটা তো ওর চেয়ে সুখের।কিংবা এক্যুরিয়ামের সেই অন্ধ মাছটা।বেঁচে থাকার জন্য কী সংগ্রাম সে করে।কারন মাছটার কাছে বেঁচে থাকাটাই কী সার্থকতা নয়।আতিকের জানালার পাশে দুটো বেতের চেয়ার রাখা।সে জানালা দিয়ে বাহিরে তাকায়।গার্মেন্টসে কাজ করা মেয়েগুলো টিফিন ক্যারিয়ার নিয়ে হেঁটে যাচ্ছে বড় রাস্তাটা ধরে।কত ই বা বেতন ওদের!কিন্তুু এই নগন্য বেতনে এক একজনের সংসার চলে!!বাসার পাশেই একটা কিন্ডারগার্টেন স্কুল।ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাগুলো মায়ের হাত ধরে স্কুলে যাচ্ছে।আতিক ও তো গ্রামের স্কুলে পড়েছে।মায়ের সাথে খুব কমই যাওয়া হয়েছে।তবে স্কুল ছুটির পর মাঝে মাঝে মা নিতে আসতো।আতিক তখন ঘুড়ি কিনে দেয়ার জন্য বায়না ধরতো।নয়তো রঙিন পাইপ আইসক্রিম। মা ও কিনে দিতো।দুইটাকার রঙিন ঘুড়িগুলোই তখন ছিলো জীবনের লাল নীল সুখ।আর আজ!!পড়াশোনার জন্যই তো এই জাদুর শহরে আগমন আতিকের।শহর তাকে দেশসেরা ভার্সিটি পড়ার সুযোগ দিয়েছে,ভালো চাকুরী দিয়েছে,সংসার দিয়েছে।কিন্তুু সুখ??শান্তি?না কী এসব সুখ শান্তি নিজের ভেতর থেকেই খুঁজে নিতে হয়।সে তো আজকাল আত্মহত্যার কথা চিন্তা করে!!কিন্তুু সব তো আছে ওর!!রিতুর সাথে সমস্যা  তো অল্পকয়দিনের।কিন্তুু প্রেমটা তো ছিলো বড় মধুর।রিতু রাজশাহীর মেয়ে।রাজশাহী ইউনিভার্সিটির ছাত্রী সে।বন্ধুদের সাথে পরীক্ষা দিতে গিয়ে আতিকের সাথে রিতুর পরিচয়।তারপর ভালোলাগা…বন্ধুত্ব,প্রেম,বিয়ে।মনে পড়ে আতিক ঢাকা ভার্সিটিতে চান্স পাওয়ার পর রিতু কতটা খুশি হয়েছিলো।নিজের চান্স না পাওয়ায় তার কোনো দুঃখবোধ ছিলো না।রিতুর জন্য ক্লাস পরীক্ষা মিস করে আতিক কতদিন রাজশাহী ভার্সিটি ছুটে গেছে।শান্তিময় প্যারিস রোড ধরে দুজন হেঁটে বেড়িয়েছে।সবকিছুই কী তবে এত তুচ্ছ আজ?রিতুকে ফোন দিয়ে স্যরি বলা কী উচিত ছিলো না!আতিক চট করে ফোনটা হাতে নিয়ে রিতুকে ফোন দেয়।
রিতু আমার খুব তোমার হাতের ক্ষীর খেতে ইচ্ছে করছে।প্লিজ!না করবে না।শুধু ক্ষীর ই তো খেতে চাইছি না!
রিতু ফোনটা কেটে দিয়ে ঢুকরে কেঁদে উঠে।
পাঁচ বছর পর
আতিক আর রিতুর ঘর আলো করে দুইবছরের টুইন বেবি জায়না আর জাওয়াদ। আতিক প্রাইভেট ব্যাংকের চাকুরী ছেড়ে দিয়েছে।কয়েকজন বন্ধু মিলে ব্যবসা করছে।বাবা মারা যাওয়ার পর মা আর ভাইটাকে ও নিজের কাছে নিয়ে এসেছে।একমাত্র বোনটাকে বিয়ে দিয়েছে ভালো ঘর দেখে।সবাইকে নিয়ে ভরভরন্ত সংসার তার।সাততলার একটা ফ্ল্যাট এখন রিতু আর আতিকের।ঝুম বৃষ্টি পড়ছে সকাল থেকে।জায়না আর জাওয়াদ এই ঝগড়া করছে তো এই ভাব করছে।কী সুন্দর হয়েছে বাচ্চা দুটো!এগুলো কী আসলেই তার সন্তান!রিতু চা দিয়ে যাচ্ছিল।
রিতু একটু পাশে বসো তো!
সময় না ই তো!ওদের খাওয়াতে হবে।
ধন্যবাদ নেয়ার সময়টুকু ও হবে না?
কীসের জন্য ধন্যবাদ? ?
আমার কাছে ফিরে আসার জন্য।আমাকে সাইকোলজিস্ট কাছে  কাউন্সেলিং করানোর জন্য।এই অদ্ভুত দেবশিশু দুইটা উপহার দেয়ার জন্য।আমাকে উপলব্ধি করানোর জন্য যে জীবন সুন্দর। অবশ্য তুমি ছাড়া ও আর ও দুইজন এই ধন্যবাদের অংশীদার।হকার ছেলে পলাশ আর তোমার সেই অন্ধ গোল্ড ফিস।পলাশকে নানাভাবে আমি সাহায্য করছি আর করবো।কিন্তুু গোল্ডফিসটা যে মারা গেলো!!
রিতু খিল খিল করে হাসতে হাসতে দৌঁড়ে পালালো।হাসলে কী অদ্ভুত সুন্দর লাগে মেয়েটাকে!!
আতিক ল্যাপটপে জোরে গান ছেড়ে দিলো…মন মোর মেঘের সঙ্গী…..
(সমাপ্ত)
image_printPrint

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুজিব বর্ষ

মুজিববর্ষ

সংবাদ আর্কাইভ

নামাজের সময় সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:১১
  • ১২:০৮
  • ৪:৪১
  • ৬:৪২
  • ৮:০২
  • ৫:২৯

ক্যালেন্ডার

August 2020
M T W T F S S
« Jul    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31